চন্দ্রকেতুগড় : প্রাচীন বাংলার বিস্মৃত বন্দর-নগর

চন্দ্রকেতুগড়

চন্দ্রকেতুগড়ঃ প্রাচীন বাংলার বিস্মৃত বন্দর-নগর   প্রাচীন বাংলা সম্পর্কে আমাদের জানতে গেলে প্রাচীনকালে বাংলা আদতে কোন অংশটুকু ছিল তার ধারণা থাকা উচিত। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে আমরা যাকে বাংলা বা বঙ্গভূমি হিসেবে দেখছি প্রাচীনকালে তেমনটা ছিল না। বাংলা ছিল বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত। পুণ্ড্রবর্ধন, অঙ্গ, সমতট রাঢ়, গৌড় ও বঙ্গ এগুলি ছিল তখনকার অঞ্চল। এগুলি নিয়েই প্রাচীন … Read more

অশোকের ধম্ম নীতি

অশোকের ধম্ম

অশোকের ধম্ম নীতি অশোকের অনুশাসন অর্থাৎ ধর্ম লিপি যাতে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে সে কারণেই অশোক তার শিলালিপি গুলি রেখে গিয়েছিলেন। প্রাকৃত ধম্ম শব্দটি সংস্কৃত ধর্মের সমার্থক। অশোকের গান্ধারী প্রয়োগে ধর্ম এর আক্ষরিক অর্থ হলো যেটিকে দ্রুত ধারণ করতে বা রাখতে হয় অথবা যা স্থির এবং দৃঢ়। ধর্ম শব্দটি ঋকবেদে এবং পরবর্তী রচনায় রীতি বা আইন … Read more

এলাহাবাদ প্রশস্তি : মূল পাঠ সহ আলোচনা

এলাহাবাদ প্রশস্তি

এলাহাবাদ প্রশস্তি প্রাপ্তিস্থান : প্রথমে এই ৩৫ ফুট উঁচু স্তম্ভটির অবস্থান ছিল উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বি অর্থাৎ বর্তমান কোসামে পরে এটিকে সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক এর বর্তমান অবস্থান উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ দুর্গে নিয়ে আসেন। এর গায়ে সম্রাট অশোকের কৌশম্বি অনুশাসন ও দেবী অনুশাসন উৎকীর্ণ আছে । এই অভিলেখের ৩৩ টি পংক্তির মধ্যে প্রথম তিনটি এমন ভাবে ভেঙে চুরে … Read more

অশোকের শিলালিপি

অশোকের শিলালিপি

অশোকের শিলালিপি ভারতের ইতিহাসে অশোক-ই প্রথম রাজা যিনি তার কার্যকলাপ, আদেশ তথা বাণী লিপিবদ্ধ করে গেছেন। মনে করা হয় তিনি পারস্যের রাজা প্রথম দারিয়াসের রবাতক শিলালিপি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। অশোকের শিলালিপি উৎকীর্ণ করার মূল উদ্দেশ্য ছিল তার বৃহৎ সাম্রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও ধর্মের বাণী প্রচার করা। অশোকের বেশিরভাগ লেখ ব্রাহ্মী অক্ষরে লেখা কিন্তু ভাষা … Read more

ষোড়শ মহাজনপদ : বিস্তারিত আলোচনা

ষোড়শ মহাজনপদ কী? হরপ্পার পতনের পর বৈদিক যুগ পর্যন্ত নগরের আর কোনো চিহ্ন থাকে না । মানুষ নগরের বদলে গ্রামবাসীতে পরিণত হয় । মানুষের বসবাসের পক্ষে অনুকূল এই সকল গ্রাম্য জনবসতি কেই জনপদ বলা হয় । এই জনপদ কথাটির আক্ষরিক অর্থ একটি জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট এলাকা । ধীরে ধীরে এগুলির পরিধি ও শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং … Read more