মহলওয়ারি বন্দোবস্ত : প্রবর্তন, বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব

মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কি ?

ঊনবিংশ শতকের গোড়ায় উত্তর ভারতের ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তার লাভ করার সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা নিয়ে ইংরেজদের মাথা ঘামাতে হয়। তবে ইতিমধ্যে বাংলায় তারা জমিদারদের সঙ্গে চিরস্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলায় কিছুটা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করার সুযোগ পায়। সুতরাং উত্তর ভারতে তারা যথেষ্ট সাবধানতার সঙ্গে এবং অনেক ভেবেচিন্তে একটা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।

উত্তর ভারতের ইংরেজরা যে জমি বন্দোবস্ত করেছিল তাকে বলা হয় মহলওয়ারি বন্দোবস্ত। সরাসরি কৃষক বা জমিদার কারো সঙ্গে জমি বন্দোবস্ত না করে একটি গ্রাম বা মহলের সঙ্গে তারা এই ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। সমস্ত গ্রামবাসী যৌথভাবে গ্রামের রাজস্ব প্রদানের জন্য দায়ী ছিল। জমিদার বা ঐ প্রকার কোন মধ্যবর্তী শ্রেণী স্থান এই ব্যবস্থায় ছিল না।

সমস্ত গ্রামের পক্ষ থেকে গ্রাম প্রধান সরকারকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করত এবং সমগ্র গ্রামের মোট রাজস্ব গ্রামবাসীরা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। সরকারি সেটেলমেন্ট অফিসার গ্রাম প্রধানের সঙ্গে পরামর্শ করে রাজস্বের হার স্থির করতেন। এই ব্যবস্থা কুড়ি থেকে ত্রিশ বছর পর্যন্ত বলবত থাকতো অর্থাৎ মহলওয়ারি বন্দোবস্ত চিরস্থায়ী ছিল না। জমির উৎপাদিকা শক্তি এবং কি ধরনের খাদ্যশস্য উৎপন্ন হচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে রাজস্বের হার নির্ধারিত হতো। মহলওয়ারি বন্দোবস্তে জমিদারের কোন স্থান না থাকলেও গ্রাম প্রধান সরকার ও কৃষকদের মধ্যে থেকে এক ধরনের মধ্যবর্তী শ্রেণীর ভূমিকা পালন করত। কোন কোন গ্রাম প্রধান দুর্বল কৃষকদের জমি আত্মসাৎ করত। এইভাবে জমিদারদের মতো তারাও অনেক সময় অত্যাচার চালাত।

মহলওয়ারি বন্দোবস্ত

-মহলওয়ারি বন্দোবস্ত ক্রম বিবর্তনে একে আমরা তিনটি পর্যায়ে ভাগ করতে পারি :

প্রথম পর্ব:  প্রথম পর্বে ইংরেজরা উত্তর ভারতে কোন নির্দিষ্ট রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। এই সময় তারা বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলাফল খুঁটিয়ে দেখছিল। এই সময় কোম্পানির অনেক কর্মচারী বাংলার মতো এখানেও একটি চিরস্থায়ী গড়ে তোলার পক্ষপাতি ছিল। ১৭৯৫ সালে বাংলার মত বারানসীতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ঘোষণা করা হয়। বোর্ড অফ কমিশনের সদস্য মিস্টার এডওয়ার্ড থান্ডা চেয়েছিলেন ভূমি রাজ রাজস্ব চিরদিনের জন্য স্থির করে দেওয়া হোক। প্রথমে ১৮০৩ ও পরে ১৮০৫ সালে উত্তর ভারতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু কিছু কমিশনাররা ১৮০৮ সালে স্পষ্ট ভাষায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে অভিমত প্রকাশ করেন। অবশেষে অনেক তর্ক বিতর্ক ও আলাপ আলোচনার পর কোর্ট অফ ডিরেক্টরস স্পষ্টভাষায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে অভিমত প্রকাশ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পরিকল্পনা পরিত্যক্ত হয়। ইতিমধ্যে সর্বোচ্চ নিলামদার এর কাছে স্বল্পকালীন মেয়াদে জমি বন্দোবস্ত করা হচ্ছিল। কিন্তু এর ফলে অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। কৃষকদের কাছে চড়াহারে অর্থ আদায় করা হচ্ছিল। এর ফলে তাদের দুঃখ কষ্টের জর্জরিত হয়।

দ্বিতীয় পর্ব : দ্বিতীয় পর্বে ১৮০৭ সালে যে বোর্ড অফ কমিশনার নিযুক্ত করা হয়েছিল, দীর্ঘ বারো বছর পরে ১৮১৯ সালে তার সম্পাদক হোল্ট ম‍্যাকেনজি একটি মিনিটে তার মতামত ও সুপারিশ ব্যক্ত করে ১৮১৯ সালের সপ্তম রেগুলেশন জারি করা হয়। এই রেগুলেশন অনুযায়ী গ্রাম্য জমিদারদের সঙ্গে জমি বন্দোবস্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এসব গ্রাম্য জমিদাররা আসলে ছিলেন নিজস্ব জমির মালিক এবং নিজেরাই নিজেদের জমি চাষ করতেন এরা ছিলেন গ্রাম সমাজের মাথা।

 ভূমি স্বত্বাধিকারী তালুকদারদের তাদের অধিকারের বিনিময়ে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। গ্রাম্য জমিদারদের কাছ থেকে যে টাকা সরকারি তহবিলে জমা পড়তো তা থেকেই এই ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়। জমির নিট উৎপাদন ছিল এই বন্দোবস্তের ভিত্তি অর্থাৎ উৎপাদন খরচ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে যা হাতে থাকত তার জমার হার নির্ধারিত হতো এই রেগুলেশনে জমি জরিপের সুপারিশ করা হয়েছিল এইভাবে খাজনা নির্ধারণ করার ফলে শুধু যে বেশি সময় লাগতো তাই নয় এর ফলে খাজনার হার এত চড়া হয় যে তার কৃষকদের পক্ষে দুর্বহ হয়ে পড়ে অবশ্য এর অবস্থা চিরস্থায়ী ছিল না। এবং মাঝে মাঝে তা পরিবর্তন করা হবে বলে স্থির করা হয়।

 এই ব্যবস্থা গড়ে দেওয়া হয়েছিল গ্রাম বা মহলকে বৃদ্ধি করে এ কারণেই এই ব্যবস্থাকে মহলওয়ারি ব্যবস্থা বলা হয়। এই মহলওয়ারি বন্দোবস্তের পরিকল্পনা কিন্তু ম‍্যাকেনজির মাথা থেকে প্রথম বার হয়নি। জনাথন ডানকান যখন বারানসির প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তখনই তিনি পট্টিদারি ব্যবস্থা এবং স্থানীয় গ্রাম সমাজের অধিকারের কথা বলেছিলেন আসলে ১৮৪৭ সাল থেকেই গ্রাম ভিত্তিক ব্যবস্থার কথা চিন্তা করা হয়েছিল তালুকদারদের পরিবর্তে গ্রাম্য জমিদারদের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহের পরিকল্পনার পিছনে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কারণ ছিল। হিসাব করে দেখা গিয়েছিল তালুকদারদের মাধ্যমে যে পরিমাণ অর্থ আদায়ের সুযোগ ছিল গ্রাম্য জমিদারদের মাধ্যমে তার থেকে বেশি আদায় করা সম্ভব। অর্থাৎ কোম্পানির স্বার্থের কথা চিন্তা করেই মহলওয়ারি বন্দোবস্তের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল।

 তবে অনেকেরই এই ব্যবস্থা মনপুতঃ হয়নি । রাজস্ব বিভাগের কর্মচারীদের কাছে এর জটিল ও দীর্ঘ পদ্ধতি অত্যন্ত বিরক্তি করছিল অন্যদিকে ইংরেজ সম্প্রদায় এই ব্যবস্থায় অত্যন্ত অসন্তুষ্ট ছিল কারণ এই ব্যবস্থায় উৎপন্ন ফসলের ভিত্তিতে রাজস্ব নির্ধারিত হতো এবং তুলা নীল চিনি, প্রভৃতি উৎপাদনের জন্য কোন উৎসাহ দেয়া হয়নি। তবে এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ত্রুটি হলো কৃষকদের উপর অত্যাধিক রাজস্বের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। যেভাবে রাজস্ব নির্ধারিত হতো তাও ছিল অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ

তৃতীয় পর্ব : তৃতীয় পর্বের মূল বিষয়বস্ত হল আর এম বার্ড এর নেতৃত্বে উত্তর ভারতে মহলওয়ারি বন্দোবস্তের পরিপূর্ণতা দান। আর ১৮২২ সালের সপ্তম রেগুলেশনের উপর ভিত্তি করে যে ব্যবস্থা করে উঠেছিল তার দোষ ত্রুটি দূর করে ও যে অত্যাধিক টাকার বোঝা কৃষকদের ঘাড়ে চাপানো হয়েছিল মানবিক ও দরদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তা কমিয়ে একটু সুষ্ঠু রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছিল বেন্টিং এর প্রধান উদ্দেশ্য।

 জেমস মিলের মতো বেন্টিঙ্ক মনে করতেন যে রায়ত বা কৃষকরাই ছিল জমির স্বত্বাধিকারী এবং জমিদার ও তালুকদার শ্রেণী হচ্ছে সরকারের কৃত্রিম সৃষ্টি। তিনি রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মনে করতেন জমিদারেরা হচ্ছেন পরগাছার মতো। এরা উৎপাদনের প্রতিবন্ধক।

 তিনি ম্যাকেনজিকে সমর্থন জানিয়ে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করলেন যে জমির উপর পুরো অধিকার রয়েছে একমাত্র গ্রাম সমাজের হাতে সুতরাং তালুকদারদের ক্ষমতাচ্যুত করে গ্রাম সমাজের মাথার মাধ্যমে জমি বন্দোবস্ত করার নীতির উপর জোর দেওয়া হল। জন স্টুয়ার্ট মিলও এই ব্যবস্থা সমর্থন করলেন কিন্তু কৃষকদের দেওয়া অর্থের পরিমাণ চিরস্থায়ী করার নীতি বেন্টিঙ্ক এর মনপুতঃ হলেও তা শেষপর্যন্ত লন্ডন কর্তৃপক্ষের সমর্থন লাভ করল না। তবে অন্তত ৩০ বছর এই বন্দোবস্ত বহাল থাকবে বলে স্থির হল। ১৮৩১ সালে জেমস মিল এই প্রস্তাবই দিয়েছিলেন। আসলে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের অভিজ্ঞতা পরিপেক্ষিতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বদলে দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত অধিকতর লাভজনক বলে কোম্পানি মনে হয়েছিল।

*বৈশিষ্ট্য :

যাইহোক ১৮৩৩ সালের নবম রেগুলেশনের ভিত্তিতে জমি বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পড়ল রবার্ট বার্ড এর হাতে এই ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো :

১) গ্রাম জমিদারের সঙ্গে এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।

২) ব্যাপক জমি জরিপের কাজ হাতে নেওয়া হয় এবং প্রত্যেক জমির সম্পূর্ণ ও বিস্তৃত নিবন্ধন বিবরণ নথিবদ্ধ করা হয়।

৩) প্রত্যেক রায়তের জমির উপর তার অধিকার স্বীকৃত হয় এবং তা নথিবদ্ধ করা হয়।

৪) প্রত্যেক জমির খাজনার হার ছিল দুই তৃতীয়াংশ এবং বাকি ১/৩ ছিল জমির মালিকের প্রাপ্য ধার যোগ্য আর ৩০ বছর যাবত অপরিবর্তিত থাকবে বলে ঘোষণা করা হয় ।

৫) ক্ষমতাচ্যুত তালুকদারদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়। মোট রাজস্বের শতকরা ১৮ ভাগ তাদের ভাতা হিসেবে ধার্য করা হয়। ১৮৪৪ সালে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বর্তমান তালুকদারদের মৃত্যুর পর তাদের উত্তরাধিকারীদের ক্ষেত্রে এই বা তার পরিমাণ হবে শতকরা ১০ ভাগ।

এরপর জেমস থমসন ১৮৪৯ সালে এই বন্দোবস্তের কিছু ভুল ত্রুটি সংশোধন করে এর পরিপূর্ণতা দান করেন শেষ পর্যন্ত ১৮৫১ সালে এই বন্দোবস্ত কোর্ট অফ ডিরেক্টরস এর অনুমোদন লাভ করে।

*ত্রুটি ও প্রভাব :

বার্ডের এই ব্যবস্থাই দুটি বড় ত্রুটি ছিল। প্রথমত রাজস্বের হার যেভাবে নির্মিত হয় তা অত্যন্ত আপত্তিজনক অনেকটা আন্দাজের উপর নির্ভর করে এই হার স্থির করা হয়েছিল।

 দ্বিতীয়তঃ কৃষকদের ওপর রাজস্বের বোঝা কমানোর মহৎ উদ্দেশ্যের কথা বলা হলেও রাজস্বের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত বেশি। ১৮৫৫ সালে সরকার শেষ পর্যন্ত রাজস্বের পরিমাণ কমাতে বাধ্য হয়। বার্ড নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে রাজস্বের পরিমাণ যতদূর সম্ভব বাড়ানোই ছিল সরকারি নীতি।

এই ব্যবস্থার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল এখানে সরকার ও কৃষকদের মধ্যে জমিদার বার তালুকদার শ্রেণীর মত কোন মধ্যবর্তী শ্রেণী না থাকায় প্রজারা তাদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পেলেও সরকারি দমন থেকে বাঁচতে পারেনি। তাদের উপর শুধু যে করের বোঝা ছিল তাই নয় তা আদায় করা হত অত্যন্ত কঠোরতর সঙ্গে এবং ঠিক সবাই না দিতে পারলে জমি বিক্রি হয়ে যেত এর ফলে আলিগড় আগ্রা প্রভৃতি অঞ্চলে ব্যাপকভাবে জমি হস্তান্তর হয়ে যায় অন্যদিকে তালুকদারেরা তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি হারানোর জন্য যথেষ্ট হয় তালুকদারদের এই ক্ষমতাচ্যুতি অনেকেই অপছন্দ করেন ।

উপরিউক্ত বিভিন্ন কারণ এর জন্যই লেফটেন্যান্ট গভর্নরসন বার্ডের জমি বন্দোবস্ত কে একটি “ভীতিপ্রদ পরীক্ষা” বলে অভিহিত করেছেন।

আরও পড়ুন -> রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত কি ? বৈশিষ্ট্য প্রভাব ও ফলাফল

F.A.Q. :-

১) মহলওয়ারি বন্দোবস্ত এর জনক কে? / মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন ?

উঃ হোল্ট ম‍্যাকেনজি ।

২) মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে চালু করেন ?

উঃ হোল্ট ম‍্যাকেনজি মহলওয়ারি বন্দোবস্ত চালু করেন ।

৩) মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে কবে চালু করেন ?

উঃ হোল্ট ম‍্যাকেনজি ১৮২২ সালে মহলওয়ারি বন্দোবস্ত চালু করেন ।

৪) ব্রিটিশ ভারতে রাজস্ব বন্দোবস্তের প্রকারভেদ কি কি ?

উঃ ব্রিটিশ ভারতে ভূমি রাজস্ব বন্দোবস্ত গুলি হল – ক) জমিদারি, খ) রায়তওয়ারি ও, গ) মহলওয়ারি বন্দোবস্ত ।

* Topics Covered :

মহলওয়ারি বন্দোবস্ত, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে চালু করেন, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে চালু করে, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কি, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে কবে চালু হয়, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে কবে চালু করেন, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত বৈশিষ্ট্য, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কবে চালু হয়, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কে কবে, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কোথায় চালু হয়, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত কী, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত pdf, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত টিকা, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত বলতে কী বোঝো , মহলওয়ারি বন্দোবস্ত টিকা ।

Leave a Comment